বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৪

আপনার বিয়োগে আমরা মর্মাহত, ভারাক্রান্ত হে মহাননেতা!

 


এখনো আশাবাদী, ইয়াহইয়া আস সিনওয়ার, হিজড়াঈলিদের সকল প্রোপাগান্ডা মিথ্যা প্রমাণিত করে, আবারো জীবিত ফিরে আসবেন। আর যদি তিনি চিরবিদায় নিয়েও থাকেন, তিনি সাধারণ মৃত্যু মরেননি, তিনি শহীদ হয়েছেন। শাহাদাততো প্রত্যেক মুমিনের কাংখিত বস্তু। একজন মুজাহিদের জন্য শাহাদাতের চেয়ে প্রিয়, কোন বস্তু পৃথিবীতে নেই। জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত, কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে, করতে, জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া , শাহাদাতের অমিয় সুধা তিনি পান করেছেন। হিজড়াইলিরা জানে না, এটা তার জন্য কতো বড়ো উপহার। একজন মুজাহিদের জন্য বরং, নিজ ঘরে বিছানায় পড়ে মৃত্যু অনেক কষ্টের। খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিআল্লাহু আনহু যে কষ্টের কথা ব্যক্ত করেছিলেন। 

কিন্তু হে আমাদের মহানায়ক ! সমগ্র মুসলিম জাতি আপনার বিদায়ে ভারাক্রান্ত। প্রত্যেক মুমিনের হৃদয়ে আজ রক্তক্ষরণ হচ্ছে।



এমন মৃত্যু, আমি কখনো দেখিনি। যার জন্য পুরো পৃথিবী কেঁদেছে। হৃদয় গহীনে এমন রক্তক্ষরণ হয়েছে। 

আমি নিজেকে মানাতে পারছিনা। বিশ্বাস করাতে পারছিনা। ইয়াহইয়া সিনওয়ার শহীদ হয়েছেন। 

আর হে ইসলামের শত্রুরা! যারা তাঁর শাহাদাতের সংবাদে খুশি প্রকাশ করছো, মনে রেখো! তোমরা শুধু একজন ব্যক্তিকেই শাহাদাত উপহার দিতে পেরেছো। তোমাদের এটা জানা নেই, আমরা প্রত্যেকটি মুসলিম যুবক, এই শাহাদাতের তামান্না নিয়েই বাঁচি। মসজিদে আকসা স্বাধীন করার স্বপ্ন বুকে নিয়েই বাঁচি। তোমরা হয়তো একজন সিনওয়ারকে শহীদ করেছ। আমরা কোটি কোটি সিনওয়ার তোদের টুঁটি চেপে ধরার জন্যে, পৃথিবীর প্রত্যেক উঁচু নিচু ভূমি থেকে ধেয়ে আসবো । আমাদের অগ্রযাত্রা কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। বিজয় আমাদেরই হবে। 

আর হ্যাঁ শয়তানেরা! মনে রেখো! যার নাম শুনে তোমাদের মনে ভয়ের জন্ম হয়, অন্তরাত্মা কেঁপে উঠে। তাঁর নামও আমরা চিরঞ্জীব করে রাখবো। এমন ভয় তোমাদের গ্রাস করবে, যা থেকে উত্তরণের কোন উপায় তোমাদের থাকবে না। 

হে গাধার দল ! তোদের দিলে ভয় ধরাতে আমি আমার ছেলের নাম "হাম্মাদ মায়মুন" থেকে পরিবর্তন করে ইয়াহইয়া আস সিনওয়ার রাখলাম। আল্লাহ তাআলার কাছে আশা, তিনি আমার ছেলেকেও ইয়াহইয়া আস সিনওয়ারের মতো মর্দে মুজাহিদ হিসেবে কবুল করবেন। এবং শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করাবেন। হে আল্লাহ! আমি আমার সন্তানকে আপনার দ্বীনের জন্য ওয়াকফ করে দিলাম। আপনি কবুল করুন। আমিন।

সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪

هل ستحظى بخمس دقائق لنفسك؟


الأمين 

جامعة الأزهر بمصر

خذ بضع دقائق للخروج من صخب الحياة من حولك، اترك كل الضجيج وراءك، وأخبر أصدقائك وداعًا لبضع لحظات، وأزِل سماعات الأذن عن أذنيك. لن يستغرق الأمر وقتًا طويلًا، مجرد دقائق قليلة.

الآن، ابدأ في العودة إلى الوراء ببطء، بعد قليل من المشي، ربما اختفى السوق المليء بالضجيج من عينيك. لم تعد تسمع أي صوت. من بعيد، يمكنك أن ترى وجه أصدقائك يظهر بوضوح كالسحب. ربما لا يزالون ينادونك بإشارات اليد.

ومع ذلك، اذهب. فقط لبعض الوقت. بعد ذلك، يمكنك العودة إليهم. بعد أن تبتعد عن كل شيء، اطرح على نفسك سؤالًا: كيف حالك؟ كيف تشعر؟ وسط كل هذه الانشغالات طوال اليوم، ربما لم تسأل نفسك بهذا الشكل من قبل.

كم هو غريب، أليس كذلك؟ نسأل الجميع في الشارع: كيف حالك؟ ولكننا لم نسأل أنفسنا أبدًا: كيف أنا؟ بعد كل تلك الساعات من المرح والموسيقى والضحك، عندما نعود إلى المنزل متعبين، حتى ذلك الحين لا نتوقف. في الليل، ربما نتناول الطعام أو لا نتناول، وننام في السرير الناعم، لكن عيوننا لا تريد أن تنغلق. مع لمسة الهاتف، يضيء الشاشة الزرقاء. بينما نتصفح فيسبوك، نقطع أميالاً دون أن ندري. وعندما يأتي الأذان، أذهب للنوم بعد سماعه. كم أنا محظوظ، أليس كذلك؟ من يمكن أن يكون سعيدًا مثلي؟ ولكن، هل هو حقًا كذلك؟

رغم كل هذا، هل أنا بخير؟ تبقى السؤال يدور في عقلي، وللأسف لا  .أستطيع العثور على جواب. بصراحة، لست بخير. لست بخير حقًا

শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪

হৃদয়ের আকুতি



,
১)
খালেদ বিন ওয়ালিদ , সা'দ বিন আবি ওয়াক্কাস রাঃ,বিন যিয়াদ, বিন কাসেমরা রক্ত আর তলোয়ার দিয়ে ইসলামী সাম্রাজ্য শক্তিশালী করেছেন।বিশ্ব মানবতা পুনরুদ্ধারে দিকে দিকে ইনসাফের ঝাণ্ডা গেড়েছেন।
মানবতা আর মনুষত্ব্যের ডাকে সাড়া দিয়ে স্পেন ও সিন্ধুতে  তাদের পদচরণ।ইনসাফের সীমান্ত গড়েছেন আপন পাঁজর দ্বারা।

ইমাম বুখারী, ইমাম মুসলিমসহ মুহাদ্দিস ইমামগণ হাদিস সংকলণ ও সংরক্ষণের কাজ সমাপ্ত করেছেন।

ইমাম আবু হানিফা,ইমাম শাফেয়ীসহ মুজতাহিদ ইমামগণ ইসলামী ফিকহ্কে সুন্দর ও সুবিন্যাস ভাবে পৌছে দিয়েছেন।

২)
বন্ধু, আমাকে আপনাকে রক্ত দিয়ে সীমান্ত প্রসারিত করার প্রয়োজন নেই। হাদিস সংকলন ও সংরক্ষণের ও প্রয়োজন নেই। ইসলামী ফিকহ্ নিয়ে রাত জাগরণের প্রয়োজন নেই।
এসব করে গেছেন আমাদের পূর্বসূরিরা (আল্লাহ তাদের উত্তম প্রতিদান দিক)।

আমাদের প্রয়োজন  প্রতিযোগীময় দুনিয়ার নিজেকে টিকিয়ে রাখা।  পূর্বসূরিদের রেখে যাওয়া আমানতের হেফাজাত করা।

অধুনা বিশ্বে চলছে বুদ্ধিভিত্তিক নিরব যুদ্ধ।
আজ যত প্রয়োজন উন্মুক্ত তলোয়ার, তার
থেকে বেশী প্রয়োজন কিছু শানিত কলম।
যা রক্তক্ষরণ ছাড়াই শত্রুর কলিজা কাটবে।

এই কলম কথা বলবে মানবতা আর মনুষত্বের পক্ষে, অসত্য আর পশুত্বের বিরুদ্ধে।
আগুন ধরাবে ন্যায়ের ঝান্ডাবাহী তারুণ্যের বুকে।
৩)
হে বন্ধু কবে তুমি জাগ্রত হবে, তেমার চার দিকে যে আজ অন্ধকার বেগে আসছে।এটা অমাবস্যার বিসন্নতা নয় যে, অলস হয়ে ঘুমিয়ে পড়বে।
এ অন্ধকার সাম্রাজ্যবাদ ও নাস্তিকতার,যারা তোমার অস্তিত্বকে সহ্য করে না।

এতো এক কাল বৈশাখী সর্বনাশা ঝড়।যা
চতুরপার্শ দিয়ে তোমাকে বেষ্টন করেছে।
হঠাৎ দমকা হাওয়ার তোমার জায়গা হবে বঙ্গোপসাগর।

কবে উঠবে,কবে জাগ্রত হবে, কবে তুলবে কলম???
    কবে অধপতন হওয়া জাতিকে আলোর দিশা দেখাবে?

৪)
আজ নাস্তিকতার মুক্ত ছোঁআ পেয়ে দেখ, হাজারো যুবক মুক্তমনে ইভটিজিং ও ধর্ষণের খেলায় মেতে উঠেছে।
দেখ, রাস্তার পাশের ডাস্টবিনে সদ্য ফোঁটা শিশু জাতিকে অভিশাপ দিচ্ছে।
   মনে রেখ বন্ধু, চরিত্রহীন জাতির জন্য আল্লাহর সাহায্য নেই।

তোমার দেহে কি সিদ্দিকী সেই উক্তি আগুন প্রজ্জলিত করে না,
"মহানবী সাঃ এর ইন্তেকালের পর মুতার প্রান্তরে রোমানরা একত্র হল।মদিনার আশেপাশে কিছু গাদ্দার বিদ্রোহ করল।
মাশওয়ারা হল কি যারা যায়? সাহসী ব্যক্তি উমর রাঃ সহ সবার পরামর্শ, এখনই যুদ্ধ নয়। পরিস্থিতি শান্ত হোক।
ইসলামের প্রথম খলিফা ঈমানী চেতনায় দীপ্তকণ্ঠে বলেছিলেন " আমি জীবিত থাকব,আর দ্বীনের ক্ষতি হবে ? ""

৫)
  আজ কিছু রাষ্ট্রদ্রোহী, কিছু গাদ্দার জুমল্যান্ড বাস্তবায়নের কিছু এজেন্ট মহানবী সাঃ এর চরিত্র নিয়ে তথ্যসন্ত্রাসী করে।

কিন্তু বন্ধু,
কোথায়ও আজ শুনা যায় না, কা'বার প্রাঙ্গনে ফারুকী সেই হুংকার, "তোমাদের মধ্যে যে তার বিবিকে বিধবা,সন্তানকে এতিম বানাতে চায় সে যেন  মুহাম্মাদে আরাবী সাঃএর উপর এটেক্ করে।"তার ও নবী মাঝে রয়েছে উমরের উন্মুক্ত তলোয়ার।"

আজ প্রয়োজন আলফেছানী রহঃএর নিরব সাধনা। যিনি সম্রাট আকবরের "দ্বীনে ইলাহীর" বিরুদ্ধে করেছেন নিরব বিপ্লব।
আকবরের জায়গায় বসেছেন হিন্দুস্তানের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট আলমগীর।

আজ বড় প্রয়োজন ইমাম গাজ্জালী, ইবনে তাইমিয়া, ইবনে হযম এর কলম খানি।
যে কলম যুগে যুগে মিথ্যার বেড়া-জাল থেকে সত্যকে উন্মুচিত করেছে।
যে কলম অন্ধকার রজনীতে পথহারা পথিক কে পথের সন্ধান দিয়েছে।

৬)
#হে আলী মিয়াঁর উত্তরসূরী, তোমরা কি ইতিহাস চর্চা ছেড়ে দিয়েছো?
লাল বাহিনী তুর্কিস্তান,উতবেকিস্থাসনের কবে হামলা করে ছিল?
কি ভাবে ইসলামী খেলাফাতের সমাধী হয়েছিল কামাল পাশার হাতে?
বলছি শোন,তখন আমাদের আলেমরা গোল টুপি ও লম্বা টুপির ফতোয়া নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।যখন লালবাহিনীর হাত থেকে ফকীহুল উম্মাহ ইসমাঈল সমরকন্দীকে পাশার বাহিনী মুক্ত করল।
তিনি রোমাল দিয়ে মুখ লুকিয়ে বলেছিলেন, কিভাবে এই মুখ আমি আনোয়ার পাশাকে দেখাব, সে দিনের পর দিন আমার পিছনে ঘুরেছে জিহাদের ফতোয়া দেওয়ার জন্য
অথচ, আমি ভ্রুক্ষেপ করিনি।
প্রিয় বন্ধু, যুগ নেতৃত্ব দেওয়া যোগ্য আপনি, নিজেকে চিনুন,মানবতার রাহী পান করেছেন আপনি।
দেখ হায়, যুগ নেতৃত্বের যোগ্যতা যাদের
 তারাই যদি মাথা নাড়ায় যুগের ইশারার
মানবতা যাবে কোথায়।

 আবেগ দিয়ে নয়, বাস্তবতা দিয়ে সংস্কার
 করতে হবে। আবেগ দিয়ে শাপলাচত্বরে
 লক্ষ কোটি জনতা উপস্থিত করা যায় কিন্তু সিস্টেম বদলানো যায় না।

৭)
হে যুগ মুহাফেছ, আপনি হীনমন্য কেন?  হতাশায় কেন? এক বার হৃদয়ের জানালা উন্মুক্ত করে দেখ আসমান থেকে আসছে সালাম।
হে যামানার মুয়াজ্জিন, বেলা ফুরিয়ে যাচ্ছে তোমার কন্ঠ কেন আজ স্থব্ধ?

#প্রিয় বন্ধু,  আমি কবি নয়, সাহিত্যক নয়, হৃদরের ব্যথা প্রকাশ করার মত কলমী শক্তি নেই আমার।
আমি চাই আপনার কলমে দ্বারা  মানবতার কথা বলতে,যুগ জিজ্ঞাসার জবাব দিতে। নয়া যামানার নয়া চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে।

হৃদয়ে আকুতি,
প্রিয় বন্ধু, এমন কলম কি জাতিকে উপহার দিবে?

আপনার বিয়োগে আমরা মর্মাহত, ভারাক্রান্ত হে মহাননেতা!

  এখনো আশাবাদী, ইয়াহইয়া আস সিনওয়ার, হিজড়াঈলিদের সকল প্রোপাগান্ডা মিথ্যা প্রমাণিত করে, আবারো জীবিত ফিরে আসবেন। আর যদি তিনি চিরবিদায় নিয়...