বুধবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৮

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও বুদ্ধিবৃত্তিক যুদ্ধ" ১ম পর্ব


লিখেছেন----সাঈদ আল মাহদী

আজ সমগ্র বিশ্বে চলছে সম্রাজ্যবাদীদের তান্ডব। দিকে দিকে লুন্ঠিত হচ্ছে মানবতা।পারমাণবিক শক্তি গোটা বিশ্বকে বিষাক্ত করে তুলছে। নিজেদের আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে তছনছ করে দিচ্ছে প্রাচীন সভ্যতার লিলাভূমি ও আধুনিক সভ্যতার রূপকার শাম তথা সিরিয়াকে। যেখানে বসে খলিফা ওয়ালিদ ইউরোপকে সভ্যতার শিখিয়ে ছিলেন।যেখানে বসে খলিফা আব্দুল মালিক হিন্দুস্তানে মানবতা ও মানবিকতার পতাকা উড়িয়ে ছিলেন।বর্বর আফ্রিকানদের মাঝে একতা আর ঐক্যের সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন।

আহ,
    তা আজ বিশ্ব দাবাবাজ দের বাজির শিকার।
কি বর্বরতা! কি নিষ্ঠুরতা!
"মৃতপ্রায় শিশুটি বারবার জিজ্ঞেস করছে বাবার কাছে- ‘অামাদের মারছে কেন? শুধু এইটুকু বল- কেন মারা হচ্ছে?’ হলুদ ঠোঁটগুলো কাঁপছিলো। চোখ দিয়ে রক্তের মতো জল ঝরছিলো। তারপর পুরো শরীরে কাঁপুনি এলো। তারপর প্রশ্ন শুধু প্রশ্নই র’য়ে গেলো। বাবা দু’টো চুমু খেলেন কপালে। বুকের সাথে জড়িয়ে গগনবিদারী চিৎকার দিলেন। অাকাশের দিকে মুখ তোলে দু’টো দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন- ‘অামরা মুসলমান। এজন্যেই অামাদের নিঃশেষ করে দেয়া হচ্ছে।"
হ্যাঁ আমরা মুসলমান,হ্যাঁ আমরা মুসলমান।এ জন্য আমাদের শেষ করা হচ্ছে।
এই সত্য যে বুঝেনা "সে আর যাই হোক না কেন?  প্রকৃত মুসলিম হতে পারে না।"
ফিলিস্তিন,আরাকান,কাশ্মীর, চেচনিয়া,তুর্কমেনিস্তান, আফগান সবাই অপরাধ একটাই "মুসলিম"। সমগ্র দাজ্জালী শক্তি আজ ঐক্যবদ্ধ মুসলিম নির্মূলে।
চীনের প্রেমে পাকিস্তান কিছু বলে না, রাশিয়ার প্রেমী তুরস্ক। আমেরিকার প্রেমে আছে সৌদি, ইরানের কথা বাদই দিলাম।সবাই আছে নিজেদের প্রেম নিয়ে কোন না কোন ভাবে তাগুতের গোলামিতে ব্যস্ত।

মুসলিম নির্মূল চলছে  দু প্রকার যুদ্ধ

১) সশস্ত্র যুদ্ধ।
২) বুদ্ধি-ভিত্তিক যুদ্ধ।

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে চলছে সশস্ত্র যুদ্ধ। পতন হয়েছে কিছু রাষ্ট্রের, হবে আরো কিছু।

বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে যার পরিচিতি একটি মুসলিম রাষ্ট্র। বাস্তবে কি তাই?

মুসলিম রাষ্ট্র বিধায় এখনে
সাম্রাজ্যবাদীরা পরিচালনা করছে "বুদ্ধিবৃত্তিক যুদ্ধ"।
স্বাধীনতার ৭০ বছরেও আমরা "বুদ্ধিবৃত্তিক" যুদ্ধে জয়ী হতে পারিনি। এখানকার এক শ্রেণীর মানুষ, নামে মুসলিম কাজে কর্মে হয় পাশ্চাত্যের গোলাম। তারা মুসলিম দেশে মুসলমানদের বিরুদ্ধে নিরব যুদ্ধ পরিচালনা করছে।আমাদের শিক্ষা, সাংস্কৃতি,সামাজিক,রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিন ব্যবস্থা সবই পাশ্চাত্যের গোলামির প্রতিফল।

তাই আমরা কতিপয় নাস্তিকদের নিয়ে অতি আবেগী না হয়ে, সম্রাজ্যবাদীদের কৌশল ও অস্ত্র প্রয়োগ বুঝতে হবে।

আমাদের কে বুঝতে হবে,,,,
মুসলমানদের সন্তান হয়ে ইসলাম বিদ্বেষী হয় কেন?

কেন পাশ্চাত্য সাংস্কৃতিতে নিজেকে হারিয়ে দেয়?

আমাদের কলেজ ভার্সিটিতে কি শিক্ষা দেয়া হয়?

শিক্ষা সিলেবাসে ইসলামি ইতিহাস কারা প্রণয়ন করেছে, কি আছে সেখানে?

আমাদের ক্বওমী সিলেবাসই বা সমাজ গঠনে কতটুকু সহায়ক?

ইনশাআল্লাহ,
   জবাব আসবে,,,,,,,,,,,,,

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আপনার বিয়োগে আমরা মর্মাহত, ভারাক্রান্ত হে মহাননেতা!

  এখনো আশাবাদী, ইয়াহইয়া আস সিনওয়ার, হিজড়াঈলিদের সকল প্রোপাগান্ডা মিথ্যা প্রমাণিত করে, আবারো জীবিত ফিরে আসবেন। আর যদি তিনি চিরবিদায় নিয়...