লিখেছেন ----সাঈদ আল মাহদী
শিক্ষা হল জাতির মেরুদণ্ড।কোন জাতিকে যদি আপনি অস্ত্র ব্যতীত গোলামির শিকলে আবদ্ধ করতে চান, তাহলে তার শিক্ষা ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করুন।
সিলেবাসে -ধর্মহীনতা, অনৈতিকতা, বিকৃত ইতিহাস ঢুকিয়ে দিন।
সম্রাজ্যবাদীরা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় এই অস্ত্র প্রয়োগ করেছে।মুসলিম দেশে জাহান্নাম মুখি শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়নের মাধ্যমে। যার কারণে এদেশের গরীব, মজদুর, কৃষক,শ্রমিকের ঘাম ঝরানো পয়সা দিয়ে লালিত-পালিত অধিকাংশ শিক্ষিত সমাজ পাশ্চাত্যের রঙ্গে সাজে। এবং নিজেকে "উদার" বা মডারেট মুসলিম পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে, কালজয়ী ব্যক্তি বলেছিলেন -
এ দেশে দু রকম শিক্ষাব্যবস্থা :
১) ধর্মহীন কর্ম শিক্ষাব্যবস্থা।
২) কর্মহীন ধর্ম শিক্ষাব্যবস্থা।
"ধর্মহীন কর্ম শিক্ষা"
বলতে তিনি জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থা কে বুঝিয়েছেন।তরুণ প্রজন্মের দিকপাল শায়খুল হাদিস মামুনুল হক সাহেব বলেন,আমি কলেজ-ভার্সিটিতে গিয়েছি সেখানে আমার দেশে কী শিক্ষা দেওয়া হয় দেখা জন্য,
তিনি বলেন - আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা একজন মুসলিম ছাত্রকে তার পরিচয় দিতে অপারগ।মুসলিম হিসাবে গর্ববোধের শিক্ষা দিতেও অপারগ।
কোরআনের শিক্ষা থেকে মানবজাতিকে দূরে সরানোর মাধ্যমেই সম্রাজবাদিদের আসল উদ্দেশ্য পূর্ণ হবে। এটা বুঝেছে আবু জাহেল,আবু লাহাবরা বুঝতেছে তাদের উত্তরসূরি অধুনা উতবা শায়বারা ।
বুঝেনি মুসলিম নামদারি মডারেটরা।
ইতিহাসের কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের ভাষ্য মহাগ্রন্থ আল-কোরআনে উল্লেখ করতে গিয়ে রব্বে করীম বলেন-
সূরা হা-মীম সেজদাহ্ (فصّلت), আয়াত: ২৬
وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَا تَسْمَعُوا۟ لِهَٰذَا ٱلْقُرْءَانِ وَٱلْغَوْا۟ فِيهِ لَعَلَّكُمْ تَغْلِبُونَ
অর্থঃ আর কাফেররা বলে, তোমরা এ কোরআন শ্রবণ করো না এবং এর আবৃত্তিতে হঞ্জগোল সৃষ্টি কর, যাতে তোমরা জয়ী হও।
আজ বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদীরা একই কৌশল অবলম্বন করছে।বিভিন্ন ভাবে আল-কোরআনের শিক্ষা থেকে জাতিকে অন্ধ রাখছে। সন্ত্রাসবাদ, সেকেলে,মধ্যযুগি,প্রগতির অন্তরায়, ধর্মান্ধ,বর্বর ইত্যাদি বলে আল-কোরআনের শিক্ষা থেকে সুকৌশলে উদাসীন করে দিচ্ছে।কোরআন শিক্ষার প্রতিষ্টান গুলোতে জঙ্গি জঙ্গি বলে হট্টগোল শুরু করছে।
এতো ১৪০০ বছর পূর্বের তাগুতের প্রতাত্মার আওয়াজ।আইয়ামে জাহিলিয়াতের অধুনা রূপ।সময় বদলেছে যামানা বদলেছে। বদলেছে কৌশল। বদলেনি ওদের মাক্বছাদ।বদলেছে আমাদের দেমাগ!
আমাদের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা খালি দেমাগের ফসল।
এজন্যই কালজয়ী ব্যক্তি এটাকে বলেন- "ধর্মহীন কর্ম শিক্ষা ব্যবস্থা".
অনেকে আবার প্রশ্ন ছোড়ে - ধর্ম থাকবে মসজিদ মাদ্রাসায়,শিক্ষা-রাষ্ট্র চলবে বিজ্ঞানে। ধর্ম প্রগতির অন্তরায়।পাশ্চাত্যরা ধর্ম থেকে বেরিয়েই উন্নয়নে লাগাম ধরেছে।তাই আমাদের কেও ধর্ম থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
আমার আহাম্মক বন্ধুরা, হয় অন্ধ,নয় বধির। অথবা দু'নটা ঠিকই আছে, বিবেক বুদ্ধি কারো কাছে গোলামি বিনিময়ে জমা দিয়েছে।
অন্য ধর্ম তার অনুসারীদের যাবতীয় সমস্যার সমাধান ও উন্নয়ণে রূপরেখা দিতে সম্পূর্ণ অপারগ।
এথেকে ইসমার সম্পূর্ণ আদালা। বরং গোটা বিশ্ব যখন ছিল অন্ধকার, ইসলামই প্রজ্বলিত করে আলো।জ্ঞান-বিজ্ঞান দিয়ে শাসন করেছে এই ধরণী।
আর্দশ,সভ্যতা ভদ্রতা,ন্যায়বিচার দিয়ে জয় করেছে কোটি হৃদয়।কোরআনের বিস্ময়কর বাণী শুনো আজও "আহমেদ দিদাররা" খুঁজে পায় সত্যের পথ।আজওপাশ্চাত্যে হাজারো মনীষী কোরআনের কাছে নিরব।
ইসলাম অন্য ধর্মের মত আধা পুড়া নয়,
এখানে রয়েছে সার্বজনীন শাশ্বত বিধান।আমরা যতদিন ইসলামের উপর ছিলাম, ততদিন আমরাই বিশ্বকে প্রগতি শিক্ষা দিয়েছি।আজ আমি ইসলাম থেকে দূরে বিধায় বিশ্বের লাথি খাচ্ছি।এটা ধর্ম বা ইসলামের দোষ নয়, আমার দোষ।
পরিশেষে বলছি,
মেকেলের ভাষ্য- (১৯৩৫ সালের ৭ ডিসেম্বর 'দেশ' পত্রিকা।)
"এমন এক শ্রেণির লোক প্রস্তুত করিয়া যাইতে হইবে, যাহাদের কৃষ্ণচর্মের নিম্নে ভারতীয় শোণিত (রক্ত) প্রবাহিত হইবে সত্য, কিন্তু রুচি, মতামত ও চিন্তা ও চিন্তার ধারায় তাহারা হইবে সম্পূর্ণ ইংরেজভাবাপন্ন।"*
জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থা এরই প্রতিফল।
""'''''''''’''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''"""""""""""""'"''''
উত্তরের সন্ধানে:-
মুসলমানদের সন্তান হয়ে ইসলাম বিদ্বেষী হয় কেন?
কেন পাশ্চাত্য সাংস্কৃতিতে নিজেকে হারিয়ে দেয়?
আমাদের কলেজ ভার্সিটিতে কি শিক্ষা দেয়া হয়?
শিক্ষা সিলেবাসে ইসলামি ইতিহাস কারা প্রণয়ন করেছে, কি আছে সেখানে?
আমাদের ক্বওমী শিক্ষাই বা কতটুকু শান্তিময় সমাজ গঠনে সহায়ক?
ইনশা-আল্লাহ্ চলবে
শিক্ষা হল জাতির মেরুদণ্ড।কোন জাতিকে যদি আপনি অস্ত্র ব্যতীত গোলামির শিকলে আবদ্ধ করতে চান, তাহলে তার শিক্ষা ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করুন।
সিলেবাসে -ধর্মহীনতা, অনৈতিকতা, বিকৃত ইতিহাস ঢুকিয়ে দিন।
সম্রাজ্যবাদীরা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় এই অস্ত্র প্রয়োগ করেছে।মুসলিম দেশে জাহান্নাম মুখি শিক্ষা ব্যবস্থা প্রণয়নের মাধ্যমে। যার কারণে এদেশের গরীব, মজদুর, কৃষক,শ্রমিকের ঘাম ঝরানো পয়সা দিয়ে লালিত-পালিত অধিকাংশ শিক্ষিত সমাজ পাশ্চাত্যের রঙ্গে সাজে। এবং নিজেকে "উদার" বা মডারেট মুসলিম পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে, কালজয়ী ব্যক্তি বলেছিলেন -
এ দেশে দু রকম শিক্ষাব্যবস্থা :
১) ধর্মহীন কর্ম শিক্ষাব্যবস্থা।
২) কর্মহীন ধর্ম শিক্ষাব্যবস্থা।
"ধর্মহীন কর্ম শিক্ষা"
বলতে তিনি জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থা কে বুঝিয়েছেন।তরুণ প্রজন্মের দিকপাল শায়খুল হাদিস মামুনুল হক সাহেব বলেন,আমি কলেজ-ভার্সিটিতে গিয়েছি সেখানে আমার দেশে কী শিক্ষা দেওয়া হয় দেখা জন্য,
তিনি বলেন - আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা একজন মুসলিম ছাত্রকে তার পরিচয় দিতে অপারগ।মুসলিম হিসাবে গর্ববোধের শিক্ষা দিতেও অপারগ।
কোরআনের শিক্ষা থেকে মানবজাতিকে দূরে সরানোর মাধ্যমেই সম্রাজবাদিদের আসল উদ্দেশ্য পূর্ণ হবে। এটা বুঝেছে আবু জাহেল,আবু লাহাবরা বুঝতেছে তাদের উত্তরসূরি অধুনা উতবা শায়বারা ।
বুঝেনি মুসলিম নামদারি মডারেটরা।
ইতিহাসের কুখ্যাত সন্ত্রাসীদের ভাষ্য মহাগ্রন্থ আল-কোরআনে উল্লেখ করতে গিয়ে রব্বে করীম বলেন-
সূরা হা-মীম সেজদাহ্ (فصّلت), আয়াত: ২৬
وَقَالَ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَا تَسْمَعُوا۟ لِهَٰذَا ٱلْقُرْءَانِ وَٱلْغَوْا۟ فِيهِ لَعَلَّكُمْ تَغْلِبُونَ
অর্থঃ আর কাফেররা বলে, তোমরা এ কোরআন শ্রবণ করো না এবং এর আবৃত্তিতে হঞ্জগোল সৃষ্টি কর, যাতে তোমরা জয়ী হও।
আজ বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদীরা একই কৌশল অবলম্বন করছে।বিভিন্ন ভাবে আল-কোরআনের শিক্ষা থেকে জাতিকে অন্ধ রাখছে। সন্ত্রাসবাদ, সেকেলে,মধ্যযুগি,প্রগতির অন্তরায়, ধর্মান্ধ,বর্বর ইত্যাদি বলে আল-কোরআনের শিক্ষা থেকে সুকৌশলে উদাসীন করে দিচ্ছে।কোরআন শিক্ষার প্রতিষ্টান গুলোতে জঙ্গি জঙ্গি বলে হট্টগোল শুরু করছে।
এতো ১৪০০ বছর পূর্বের তাগুতের প্রতাত্মার আওয়াজ।আইয়ামে জাহিলিয়াতের অধুনা রূপ।সময় বদলেছে যামানা বদলেছে। বদলেছে কৌশল। বদলেনি ওদের মাক্বছাদ।বদলেছে আমাদের দেমাগ!
আমাদের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা খালি দেমাগের ফসল।
এজন্যই কালজয়ী ব্যক্তি এটাকে বলেন- "ধর্মহীন কর্ম শিক্ষা ব্যবস্থা".
অনেকে আবার প্রশ্ন ছোড়ে - ধর্ম থাকবে মসজিদ মাদ্রাসায়,শিক্ষা-রাষ্ট্র চলবে বিজ্ঞানে। ধর্ম প্রগতির অন্তরায়।পাশ্চাত্যরা ধর্ম থেকে বেরিয়েই উন্নয়নে লাগাম ধরেছে।তাই আমাদের কেও ধর্ম থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
আমার আহাম্মক বন্ধুরা, হয় অন্ধ,নয় বধির। অথবা দু'নটা ঠিকই আছে, বিবেক বুদ্ধি কারো কাছে গোলামি বিনিময়ে জমা দিয়েছে।
অন্য ধর্ম তার অনুসারীদের যাবতীয় সমস্যার সমাধান ও উন্নয়ণে রূপরেখা দিতে সম্পূর্ণ অপারগ।
এথেকে ইসমার সম্পূর্ণ আদালা। বরং গোটা বিশ্ব যখন ছিল অন্ধকার, ইসলামই প্রজ্বলিত করে আলো।জ্ঞান-বিজ্ঞান দিয়ে শাসন করেছে এই ধরণী।
আর্দশ,সভ্যতা ভদ্রতা,ন্যায়বিচার দিয়ে জয় করেছে কোটি হৃদয়।কোরআনের বিস্ময়কর বাণী শুনো আজও "আহমেদ দিদাররা" খুঁজে পায় সত্যের পথ।আজওপাশ্চাত্যে হাজারো মনীষী কোরআনের কাছে নিরব।
ইসলাম অন্য ধর্মের মত আধা পুড়া নয়,
এখানে রয়েছে সার্বজনীন শাশ্বত বিধান।আমরা যতদিন ইসলামের উপর ছিলাম, ততদিন আমরাই বিশ্বকে প্রগতি শিক্ষা দিয়েছি।আজ আমি ইসলাম থেকে দূরে বিধায় বিশ্বের লাথি খাচ্ছি।এটা ধর্ম বা ইসলামের দোষ নয়, আমার দোষ।
পরিশেষে বলছি,
মেকেলের ভাষ্য- (১৯৩৫ সালের ৭ ডিসেম্বর 'দেশ' পত্রিকা।)
"এমন এক শ্রেণির লোক প্রস্তুত করিয়া যাইতে হইবে, যাহাদের কৃষ্ণচর্মের নিম্নে ভারতীয় শোণিত (রক্ত) প্রবাহিত হইবে সত্য, কিন্তু রুচি, মতামত ও চিন্তা ও চিন্তার ধারায় তাহারা হইবে সম্পূর্ণ ইংরেজভাবাপন্ন।"*
জাতীয় শিক্ষাব্যবস্থা এরই প্রতিফল।
""'''''''''’''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''"""""""""""""'"''''
উত্তরের সন্ধানে:-
মুসলমানদের সন্তান হয়ে ইসলাম বিদ্বেষী হয় কেন?
কেন পাশ্চাত্য সাংস্কৃতিতে নিজেকে হারিয়ে দেয়?
আমাদের কলেজ ভার্সিটিতে কি শিক্ষা দেয়া হয়?
শিক্ষা সিলেবাসে ইসলামি ইতিহাস কারা প্রণয়ন করেছে, কি আছে সেখানে?
আমাদের ক্বওমী শিক্ষাই বা কতটুকু শান্তিময় সমাজ গঠনে সহায়ক?
ইনশা-আল্লাহ্ চলবে

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন